ধারণার জোড়া
যে বিপরীত জোড়াগুলিতে লেখক পুরো বইয়ে বারবার ফিরে আসেন। বাঁ দিকে প্রাচ্য, ডান দিকে পাশ্চাত্য। প্রতিটি জোড়া সেই অধ্যায়ে নিয়ে যায় যেখানে তার পরিচয় দেওয়া হয়েছে।
খণ্ড ১ আমরা কোথা থেকে এসেছি: দাও (道) বনাম ঈশ্বর (神)
- অব্যক্ত
(不顯)সত্য আছে, কিন্তু বলা যায় না: “যে দাও বলা যায়, তা চিরন্তন দাও নয়” ব্যক্ত (示顯)সত্য বলা যায়: প্রত্যাদেশ আর মতবাদ অব্যক্ত প্রকৃতি-দর্শনের কেন্দ্র, যেমন ব্যক্ত প্রত্যাদিষ্ট ধর্মের। সত্য যে আছে তা মানে বলে অব্যক্ত পাশ্চাত্যের অজ্ঞেয়বাদ নয়।
খণ্ড ১, অধ্যায় ১ · দাও (道) আর ঈশ্বরের (神) ধারণা কেন, কখন, কীভাবে গড়ে উঠল?
- দাও
(道)প্রকৃতির নিয়ম ঈশ্বর (神)প্রকৃতির ঊর্ধ্বে এক সত্তা অলৌকিক ঘটনা মেনে নেওয়া প্রত্যাদিষ্ট ধর্মের বিপরীতে, প্রাচ্যকে চালনা করা দাও এক প্রকৃতি-দর্শন, যা প্রকৃতিকে প্রকাশ করে। তাই প্রাচ্যে কোনো অতিপ্রাকৃত ধর্ম জন্মায়নি।
খণ্ড ১, অধ্যায় ২ · দাও (道) আর ঈশ্বর (神): প্রকৃতি ও মহাবিশ্ব কোথা থেকে এল, কীভাবে চলে?
- অসৎ
(無)দাও অসৎকে মহাবিশ্বের উৎস করে সৎ (有)ঈশ্বর সৎকে মহাবিশ্বের উৎস করেন তাও তে চিং আর মোশির পাঁচ পুস্তক আগে দাও বা ঈশ্বরকে স্থাপন করে, তারপর মহাবিশ্বের উৎপত্তি আর নিয়ম ব্যাখ্যা করে।
খণ্ড ১, অধ্যায় ২ · দাও (道) আর ঈশ্বর (神): প্রকৃতি ও মহাবিশ্ব কোথা থেকে এল, কীভাবে চলে?
- পরিবর্তনের দর্শন
(變化論)অসৎ আর সৎ একে অন্যে রূপান্তরিত হয় সত্তার দর্শন (存在論)সৎ শুরু হয় ঈশ্বরের আকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টি দিয়ে অসৎ আর সতের মধ্যে পরিবর্তন হয়ে উঠল প্রাচ্যের মহাজাগতিক নীতি; সত্তার দর্শন, যার কাছে কেবল সৎই আছে, হলো পাশ্চাত্যের।
খণ্ড ১, অধ্যায় ২ · দাও (道) আর ঈশ্বর (神): প্রকৃতি ও মহাবিশ্ব কোথা থেকে এল, কীভাবে চলে?
- ই চিং
(易經)পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে ভবিষ্যৎ আঁচ করা দৈববাণী (神託)সতের মধ্য দিয়ে ভবিষ্যৎকে প্রশ্ন করা দুটোই হাজার হাজার বছর ধরে চূড়ান্ত মুহূর্তে ভবিষ্যৎ জানার কাজে লেগেছে। কিন্তু ই চিংয়ের পরিবর্তনের দর্শন, দাওবাদ আর কনফুসীয় মতবাদের মধ্য দিয়ে, প্রাচ্যের চিন্তায় আজও বেঁচে আছে।
খণ্ড ১, অধ্যায় ২ · দাও (道) আর ঈশ্বর (神): প্রকৃতি ও মহাবিশ্ব কোথা থেকে এল, কীভাবে চলে?
- নেতিবাচক ধর্মতত্ত্বদাও বলে: “আমি দয়ালু নই” নরত্বারোপঈশ্বর দয়াময়
অব্যক্তের দাও পরমকে প্রকাশ করে নেতির মধ্য দিয়ে (নেতি নেতি); ব্যক্তের ঈশ্বর দেখা দেন মানুষের রূপে।
খণ্ড ১, অধ্যায় ৩ · দাও (道) আর ঈশ্বর (神) মানুষের সঙ্গে কেমন আচরণ করে?
- অকর্ম
(無爲)ঠিক সময়ে চলা: “করেও না-করা” (爲無爲) কর্ম (有爲)ঈশ্বরের বিধান যে কর্ম নির্ধারণ করে মানুষের কর্মের উৎস। তাও তে চিং-এ অকর্ম আসে দাওয়ের কর্মের উৎস হিসেবে; প্রত্যাদিষ্ট ধর্মে কর্ম আসে ঈশ্বরের বিধান হিসেবে।
খণ্ড ১, অধ্যায় ৩ · দাও (道) আর ঈশ্বর (神) মানুষের সঙ্গে কেমন আচরণ করে?
- নৈতিকতার সংস্কৃতিনৈতিকতা আইনের চেয়ে বড় আইনের সংস্কৃতিআইনের শাসন নৈতিকতার চেয়ে বড়
অকর্মকে মূল্য দেওয়া প্রাচ্যে আগে আসে নৈতিকতা; কর্মকে মূল্য দেওয়া পাশ্চাত্যে আগে আসে আইন।
খণ্ড ১, অধ্যায় ৩ · দাও (道) আর ঈশ্বর (神) মানুষের সঙ্গে কেমন আচরণ করে?
- ইন ও ইয়াং
(陰陽)মানুষের ব্যাপারকে পরিবর্তন আর সামঞ্জস্যে, শুভ আর অশুভে (吉凶) দেখা ভালো ও মন্দ (善惡)মানুষের ব্যাপারকে সৎ আর বিরোধে, ভালো আর মন্দে দেখা মানুষের কর্মের মাপকাঠি। ইন ও ইয়াংয়ের চিন্তা পরিবর্তনের দর্শনকে অনুসরণ করে; ভালো ও মন্দের চিন্তা জন্মায় সত্তার দর্শন থেকে।
খণ্ড ১, অধ্যায় ৩ · দাও (道) আর ঈশ্বর (神) মানুষের সঙ্গে কেমন আচরণ করে?
- গো খেলাশি (勢) বাড়ানো: সুনজির যুদ্ধকলা দাবাআক্রমণ আর জয়: ক্লাউজেভিৎস
প্রতিযোগিতায় পাশ্চাত্যের লক্ষ্য আক্রমণ আর জয়; প্রাচ্য চেষ্টা করে নিজের অবস্থানের শক্তি বাড়াতে। গো খোঁজে আপেক্ষিক জয়।
খণ্ড ১, অধ্যায় ৩ · দাও (道) আর ঈশ্বর (神) মানুষের সঙ্গে কেমন আচরণ করে?
- সম্পর্কবাদঅন্যের কথা মাথায় রেখে নিজের স্বার্থ রক্ষা ব্যক্তিবাদব্যক্তিই সভ্যতার কেন্দ্র
দাওবাদ, কনফুসীয় মতবাদ আর বৌদ্ধধর্ম গোষ্ঠীবাদ প্রত্যাখ্যান করে সম্পর্কবাদের পক্ষে দাঁড়ায়। সম্পর্কবাদ ব্যক্তির স্বাধীনতা ছেড়ে দেয় না।
খণ্ড ১, অধ্যায় ৪ · দাও (道) আর ঈশ্বর (神), প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের সভ্যতার অক্ষ
- পরিপূরকতাআধুনিক পদার্থবিজ্ঞান: ইন আর ইয়াং পরস্পরের পরিপূরক বিরোধচিরায়ত পদার্থবিজ্ঞান: ভালো আর মন্দ পরস্পরের বিরোধী
আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানে বিরোধের জায়গা নেওয়া পরিপূরকতা প্রাকৃতিক বিজ্ঞানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, কিন্তু মানববিদ্যায় পৌঁছাচ্ছে ধীরে ধীরে।
খণ্ড ১, অধ্যায় ৪ · দাও (道) আর ঈশ্বর (神), প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের সভ্যতার অক্ষ
- কনফুসিয়াস · লাওৎসে · শুনজিপ্রাচ্যের প্রকৃতি-দর্শন ভলতেয়ার · রুসো · স্পিনোজা“ঈশ্বর আর প্রকৃতি এক”, “প্রকৃতিতে ফিরে চলো”
সপ্তদশ ও অষ্টাদশ শতাব্দীতে দাও আর ঈশ্বরের সংলাপ। আলোকায়নের পাশ্চাত্য চিন্তকেরা শেষ পর্যন্ত প্রাচ্যের প্রকৃতি-দর্শনের কাছাকাছি এলেন।
খণ্ড ১, অধ্যায় ৪ · দাও (道) আর ঈশ্বর (神), প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের সভ্যতার অক্ষ
খণ্ড ২ আমরা কে: মন ও দেহের ঐক্য (心身一體) বনাম আত্মা ও দেহের সংগ্রাম (靈肉鬪爭)
- মন ও দেহ
(心身) · লি ও চি-র তত্ত্ব (理氣論)মন আর সহজাত প্রবৃত্তি পরস্পরের পরিপূরক মন আর সহজাত প্রবৃত্তির দ্বৈতবাদদেকার্ত: আত্মা আলাদা থাকে, পিনিয়াল গ্রন্থিতে মন সহজাত প্রবৃত্তির চেয়ে বড় কি না, এই প্রশ্ন প্রাচ্যের মানবস্বভাবের তত্ত্বে, মন ও দেহের ঐক্যে, ওঠেই না।
খণ্ড ২, অধ্যায় ২ · মন (精神) কি সহজাত প্রবৃত্তির (本能) চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ?
- চরিত্রগঠনজন্মগত স্বভাবের সীমার মধ্যে চরিত্র গড়ে ওঠে সামাজিক চুক্তিঈশ্বর আর মানুষের চুক্তি থেকে জন্মানো তত্ত্ব
পাশ্চাত্যের সামাজিক চুক্তির তত্ত্ব জন্মেছে ঈশ্বর আর মানুষের সেই চুক্তি থেকে, যা হাজার বছরেরও বেশি পাশ্চাত্যকে শাসন করেছে। তার জায়গায় প্রাচ্য রাখে চরিত্রগঠন।
খণ্ড ২, অধ্যায় ৩ · প্রাচ্য আর পাশ্চাত্যের মানবস্বভাবের তত্ত্ব: মানবস্বভাব কি বদলায়, না স্থির?
- না শুভ না অশুভ · শুভ · অশুভগাওজি, মেনসিয়াস, শুনজি: বদলায় এমন মানবচরিত্র অশুভ · শুভ · সাদা পাতাহবস, রুসো, লক: বদলায় না এমন মানবস্বভাব
পাশ্চাত্যের তত্ত্ব বলে মানবস্বভাব বদলায় না; প্রাচ্যের তত্ত্ব দেখে মানবচরিত্র জন্মগত স্বভাবের সীমার মধ্যে বদলায়।
খণ্ড ২, অধ্যায় ৩ · প্রাচ্য আর পাশ্চাত্যের মানবস্বভাবের তত্ত্ব: মানবস্বভাব কি বদলায়, না স্থির?
- মন, দর্পণসহজাত প্রবৃত্তি আলো দেয়, মন তা প্রতিফলিত করে মন, আলোর উৎসমন নিজেই জ্বলে আর সহজাত প্রবৃত্তি থেকে মুক্ত হয়
লেখকের উপমা। লকের সাদা পাতার মতো মনকে আলোর উৎস ভাবা মানে এই বিশ্বাসের ঝুঁকি নেওয়া যে মন সহজাত প্রবৃত্তি থেকে মুক্ত হতে পারে।
খণ্ড ২, অধ্যায় ৩ · প্রাচ্য আর পাশ্চাত্যের মানবস্বভাবের তত্ত্ব: মানবস্বভাব কি বদলায়, না স্থির?
- নিয়তির মধ্যে স্বাধীনতাসহজাত নিয়তির সীমার মধ্যে মন স্বাধীন নিয়তিবাদ বনাম স্বাধীন ইচ্ছাঈশ্বর মানুষ সৃষ্টি করেন আর তার ওপর নজর রাখেন, এই বিশ্বাস থেকে জন্মানো সমস্যা
মানুষ জন্মায় “নিয়তির মধ্যে স্বাধীনতা”র শর্ত নিয়ে। স্বভাব আর লালনপালনের প্রশ্নকে প্রাচ্যের পথে মীমাংসা করলে নিয়তিবাদ আর স্বাধীন ইচ্ছার সমস্যা মিলিয়ে যায়।
খণ্ড ২, অধ্যায় ৩ · প্রাচ্য আর পাশ্চাত্যের মানবস্বভাবের তত্ত্ব: মানবস্বভাব কি বদলায়, না স্থির?
- বাস্তবকে পরিচালনানিরন্তর চেষ্টায় মানবসম্পর্কের সামঞ্জস্য আদর্শের পেছনে ছোটাসমগ্র মানবজাতির জন্য এক স্বপ্ন: ধর্ম আর মতাদর্শ
পাশ্চাত্যের স্বপ্ন বিরাট আর মহিমাময়, কিন্তু তার মূল সমস্যা বাস্তবতাবোধের অভাব। প্রাচ্য যার পেছনে ছোটে তা কোনো স্বপ্ন নয়, সম্পর্কের সামঞ্জস্য।
খণ্ড ২, অধ্যায় ৩ · প্রাচ্য আর পাশ্চাত্যের মানবস্বভাবের তত্ত্ব: মানবস্বভাব কি বদলায়, না স্থির?
- জীবনের অর্থসম্পর্কবাদ: নিজের আর অন্যের ওপর দাঁড়ানো নৈতিকতা ব্যক্তির সুখব্যক্তিবাদ: স্বর্গ বা সুখের খোঁজ
মানবস্বভাবের লক্ষ্য। সম্পর্কবাদ খোঁজে জীবনের অর্থ; ব্যক্তিবাদ খোঁজে সুখ।
খণ্ড ২, অধ্যায় ৩ · প্রাচ্য আর পাশ্চাত্যের মানবস্বভাবের তত্ত্ব: মানবস্বভাব কি বদলায়, না স্থির?
- রেন
(仁)কনফুসিয়াস: মানুষকে ভালোবাসা প্রেম (愛)যিশু: প্রতিবেশীকে ভালোবাসা কনফুসিয়াসের রেন যিশুর প্রতিবেশী-প্রেম থেকে একটুও আলাদা নয়। এ এমন নৈতিকতা যা সব চিন্তার ঊর্ধ্বে, আর এই প্রশ্নের উত্তর: “ঈশ্বর ছাড়া মানুষ ভালো হবে কী করে?”
খণ্ড ২, অধ্যায় ৪ · ঈশ্বর ছাড়া মানুষ ভালো হয় কী করে?
- প্রকৃতির পরামর্শনৈতিকতা হলো যা প্রকৃতি পরামর্শ দেয় ঈশ্বরের আদেশনৈতিকতা হলো যা ঈশ্বর আদেশ করেন
একই নৈতিকতা, ভিন্ন ভিত্তিতে। পাশ্চাত্যের প্রকৃতিবাদীরাও বুঝতে শুরু করেছেন যে নৈতিকতা ঈশ্বরের আদেশ নয়, প্রকৃতির পরামর্শ।
খণ্ড ২, অধ্যায় ৪ · ঈশ্বর ছাড়া মানুষ ভালো হয় কী করে?
- আলোকিত স্বার্থপরার্থপরতা মানবস্বভাবেই নিহিত নিজের স্বার্থ ত্যাগপরার্থপরতা মানে নিজের স্বার্থ ছেড়ে দেওয়া
পরার্থপরতা কী? প্রাচ্য পরার্থপরতায় দেখে আলোকিত স্বার্থ (enlightened self-interest)।
খণ্ড ২, অধ্যায় ৪ · ঈশ্বর ছাড়া মানুষ ভালো হয় কী করে?
খণ্ড ৩ আমরা কোথায় চলেছি?
- মিনবেন
(民本主義)প্রাচ্যে আগেভাগে গড়ে ওঠা এক রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক আদর্শ গণতন্ত্র (民主主義)সপ্তদশ ও অষ্টাদশ শতাব্দীর জাতিরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতিষ্ঠিত শাসনব্যবস্থা প্রাচ্য পাশ্চাত্যের প্রায় দুই হাজার বছর আগে জাতিরাষ্ট্র গড়েছিল, আর জাতিরাষ্ট্র অনিবার্যভাবে মিনবেনের রাজনৈতিক অর্থনীতির জন্ম দেয়।
খণ্ড ৩, অধ্যায় ২ · প্রাচ্য আর পাশ্চাত্যে জাতিরাষ্ট্রের আবির্ভাব আর রাজনৈতিক অর্থনীতির সূচনা
- অকর্ম
(無爲): স্বাধীনতার পরিচালনাব্যক্তিস্বার্থ আর জনস্বার্থ সংঘাতে জড়ায়; তাই ব্যক্তির স্বাধীনতার পরিচালনা দরকার অবাধনীতি (自由放任): স্বাধীনতাকে ছেড়ে দেওয়ারাষ্ট্র সরে দাঁড়ায়, আর ব্যক্তির স্বাধীনতা তার নিজের হাতে ছেড়ে দেওয়া হয় দাওবাদী অকর্মে অনুপ্রাণিত ফরাসি ফিজিওক্র্যাটরা পাশ্চাত্যে অবাধনীতি ছড়িয়ে দেন।
খণ্ড ৩, অধ্যায় ২ · প্রাচ্য আর পাশ্চাত্যে জাতিরাষ্ট্রের আবির্ভাব আর রাজনৈতিক অর্থনীতির সূচনা
- আঁকড়ে-ধরা হাতপ্রজার সম্পদ কেড়ে নেওয়া শাসকের হাতকে পরিচালনা অদৃশ্য হাতঅ্যাডাম স্মিথ: ব্যক্তিস্বার্থগুলো মিলে জনস্বার্থ হয়
রাজনৈতিক অর্থনীতির দর্শনে স্বার্থপরতাই মানুষের আঁকড়ে-ধরা হাত। প্রাচ্যের রাজনৈতিক অর্থনীতি প্রশ্ন করে, সেই হাতকে কীভাবে পরিচালনা করা যায়।
খণ্ড ৩, অধ্যায় ৩ · প্রাচ্য আর পাশ্চাত্যের রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক ব্যবধান: ব্যক্তিস্বার্থ ও জনস্বার্থের সংঘাত বনাম মিলন
- ব্যক্তিস্বার্থ আর জনস্বার্থের সংঘাত“আইন যত বাড়ে, চোর তত বাড়ে” ব্যক্তিস্বার্থ আর জনস্বার্থের মিলনম্যান্ডেভিল, মৌমাছির উপকথা
আধুনিক পাশ্চাত্যের অর্থনৈতিক চিন্তকদের বিপরীতে, যাঁদের কাছে ব্যক্তিস্বার্থ আর জনস্বার্থ আপনা থেকেই মেলে, প্রাচ্য বলে তারা সংঘাতে জড়ায়।
খণ্ড ৩, অধ্যায় ৩ · প্রাচ্য আর পাশ্চাত্যের রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক ব্যবধান: ব্যক্তিস্বার্থ ও জনস্বার্থের সংঘাত বনাম মিলন
- শুঝি
(術治)জনস্বার্থকে ব্যক্তিস্বার্থ থেকে রক্ষা করার দর্শন মেরুকরণ (兩極化)জনস্বার্থের বিনিময়ে ব্যক্তিস্বার্থের পেছনে ছোটা থেকে জন্ম শিল্পবিপ্লব আর এআই বিপ্লব দুটোর মধ্য দিয়েই বয়ে চলেছে উৎপাদনশীলতা বাড়ার সঙ্গী মেরুকরণ। তার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে প্রাচ্যের শুঝি, যা ব্যক্তিস্বার্থ আর জনস্বার্থের সংঘাতের তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
খণ্ড ৩, অধ্যায় ৪ · কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) বিপ্লব আমাদের কোথায় নিয়ে যাচ্ছে: মেরুকরণ বনাম শুঝি (術治)